বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩২১

|

দেড়শ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়েকে আটকানোর লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের। দলীয় ১৩০ রানে সবশেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজাকে তাইজুল ইসলাম ফেরালে সেই টার্গেট পূরণ হবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হলো না! সপ্তম উইকেটে রেজিস চাকাভা ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার দৃঢ়তায় অনায়াসে দেড়শ অতিক্রম করেছে সফরকারীরা।

তবে তাদের গুটিয়ে দিতে খুব একটা সময় লাগেনি টাইগারদের। শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানে অলআউট হয় লালচাঁদ রাজপুতের দল। এতে রোডেশিয়ানদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩২০ রান।

দ্বিতীয় দিনের ১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১ এবং ব্রায়ান চারি শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। সঙ্গে থাকে ১৪০ রানের লিডের আত্মবিশ্বাস। যত দ্রুত সম্ভব জিম্বাবুয়েকে অলআউট করার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। প্রাথমিক লক্ষ্য দেড়শ’র মধ্যে আটকানো। স্বাভাবিকভাবেই ওপেনিং জুটি ভাঙতে আপ্রাণ চেষ্টা চালান বোলাররা। একটু বিলম্বে হলেও সাফল্য পান তারা। ব্রায়ান চারিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মেহেদী হাসান মিরাজ।

দলীয় ১৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তা আমলে না নিয়ে নেমেই স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন ব্রেন্ডন টেইলর (২৪)। অতি রোমাঞ্চপ্রিয়তার খেসারতও দিতে হয় তাকে। মায়াবি ঘাতক তাইজুল ইসলামের শিকারে পরিণত হন তিনি। তবে এতে বোলারের যতটা না কৃতিত্ব তার চেয়েও বেশি ফিল্ডারের। দুর্দান্ত ক্যাচে অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে ফেরান ইমরুল কায়েস। মিড অফ থেকে অনেকটা দৌড়ে, পুরোটা সময় বলের দিকে চোখ রেখে দুহাতে দারুণ ক্যাচ নেন তিনি।

এতে দেড়শ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়েকে আটকানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু বিধিবাম! সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শন উইলিয়ামস। শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন তারা। ফলে টাইগারদের আশাও ফিকে হয়ে যায়।

তবে লাঞ্চ বিরতির পর পরই সাফল্য পান স্বাগতিকরা। দুর্দান্ত ডেলিভেরিতে শিকড় গেড়ে বসা মাসাকাদজাকে (৪৮) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান মিরাজ। এতে উইলিয়ামসের সঙ্গে ভাঙে তার ৫৪ রানের বিপজ্জনক জুটি। ফলে দেড়শ’র মধ্যে সফরকারীদের প্যাকেট করার স্বপ্ন বুনে বাংলাদেশ।

খানিক পর প্রতিপক্ষ শিবিরে তাইজুল ইসলাম জোড়া আঘাত হানলে সেই পথে অনেকটা এগিয়ে যান টাইগাররা। এ পরীক্ষিত সৈনিক ৪২ ওভারের পঞ্চম, ষষ্ঠ বলে বোল্ড ও ক্যাচ বানিয়ে যথাক্রমে ফিরিয়ে দেন ইনফর্ম শন উইলিয়ামস (২০) ও পিটার মুরকে (০)। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে সিকান্দার রাজাকে (২৫) সরাসরি বোল্ড করে এ বাঁহাতি স্পিনার ফেরালে সেই আশা পূরণ হবে বলেই মনে হচ্ছিল।

কিন্তু হয়নি! সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশকে বিরক্ত করেন রেজিস চাকাভা ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। দলীয় ১৬৫ রানে মাসাকাদজাকে এলবিডব্লিউ করে মিরাজ ফেরালে তালগোল পাকিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে।









Leave a reply