ফরিদপুরে সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ

|

তরিকুল ইসলাম হিমেল, ফরিদপুর
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় তারা ঢাকা খুলনা মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার জয়বাংলা মোড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ পৌঁছে নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

প্রসঙ্গত আজ রবিবার আওয়ামী লীগের মনোনয়নের চিঠি বিতরনের দ্বিতীয় দিনেও ফরিদপুর ২ আসনে কাউকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। এরই মাঝে এই আসনে জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সালকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে প্রচার হলে রাস্তায় নেমে আসে নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, রবিবার মোস্তফা আমীর ফয়সালকে মনোনয়ন দেয়ার খবর প্রচার হলে নেতাকর্মীরা রাস্তা নেমে আসে। তারা জয়বাংলা মোড়ে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে অবরোধ করে গাছের গুড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এসময় নেতাকর্মীরা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। বিকাল পাঁচটা থেকে প্রায় পৌনে ১ ঘন্টা ব্যাপী চলা অবরোধে হাজার হাজার নেতা-কর্মী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকে।

চরযশোরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান পথিক, কাইচাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ঠান্ডু, বল্লভদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষুব্দ নেতা-কর্মীরা এই সড়ক অবরোধ করে।

চরযশোরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান পথিক জানান, সংসদ উপনেতা জীবিত থাকতে তাকে ব্যতিত ফরিদপুর-২ আসনে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয়া হলে তা মেনে নিবে না এই আসনের আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ করি, প্রধানমন্ত্রী যাকে নৌকা দিবেন তার পক্ষেই কাজ করবো। কিন্তু সাজেদা চৌধুরী বেঁচে থাকতে অন্য কাউকে এই আসনে নৌকা যেন না দেয় সেই দাবীই প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী রাস্তায় নেমে এসেছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষেরর কষ্টের কথা বিবেচনা করে অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে, কিন্তু নেতাকর্মীরা এখনো অবস্থান করছে। নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

অবরোধের খবর পেয়ে ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম ও নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এফ এম মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

অবরোধ চলাকালীন সময়ে সড়কের দুই পাশে যান বাহনের দীর্ঘ লাইন পরে যায়।









Leave a reply