রাজধানীতে আবারো বন্ডের কাপড়সহ কাভার্ডভ্যান আটক

|

রাজধানীর জনসন রোড থেকে আবারো বন্ডের কাপড়সহ কাভার্ডভ্যান আটক। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দার দল রাতে টহলকালে সিএমএম কোর্ট এলাকার জনসন রোড থেকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে পণ্য বোঝাই কাভার্ডভ্যানটি (চট্ট মেট্রো- ট ১১-৭১২০) আটক করা হয়। গাড়িতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী, আটক গাড়িটিতে পরিবাহিত পণ্য হচ্ছে ২৮১ রোল ১০০% পলিয়েস্টার ফেব্রিক্স যা ‘মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, ৯১, ধউর, থানা রোড, তুরাগ, ঢাকা’ নামীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানিকৃত। এর আগেও গত ২১ জুন ২০১৭ তারিখে এই একই প্রতিষ্ঠানের আরো ৪টি বন্ডের কাপড় বোঝাই গাড়ি শুল্ক গোয়েন্দা দল আটক করে জরিমানাসহ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করেছিল।
উল্লেখ্য, এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১২৫ কোটি টাকার বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের অপর একটি তদন্ত শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরে চলমান রয়েছে। বিদেশে পণ্য রপ্তানি উৎসাহিত করতে রপ্তানিতব্য পণ্যের কাচামাল শুল্কমুক্তভাবে আমদানির জন্য ‘বন্ডিং সুবিধা’ প্রদান করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে পণ্য প্রস্তুতপূর্বক বিদেশে রফতানি না করে অধিক মুনাফার লোভে সেগুলো অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রয় করা হচ্ছিলো।
গাড়ির সাথে থাকা আমদানি দলিলাদিতে দেখা যায়, উল্লিখিত বন্ডেড প্রতিষ্ঠানটি গত ১২-১০-১৭ তারিখে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিল অব এন্ট্রি নং-১২৮৫৪৩৮ এর মাধ্যমে ৮২৪ প্যাকেজ পলিয়েস্টার ফেব্রিক্স শুল্কমুক্ত (আইএম ৭) সুবিধায় আমদানি করে। পরে আমদানিকৃত কাপড়গুলো ৩টি কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে টঙ্গীর ফ্যাক্টরিতে নিয়ে আসার জন্য বোঝাই করা হয়। কিন্তু গভীর রাতে আমদানিকারক বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের নির্দেশে গাড়িগুলি ফ্যাক্টরির টঙ্গীর ঠিকানায় বাইপাস বরাবর না গিয়ে কাচপুর ব্রিজ পার হয়ে ঢাকার ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় গাড়িচালকদের রাজধানীর ইসলামপুরের দিকে যেতে বলা হয়। গাড়িচালক পণ্য পরিবহনের চালান নম্বর-৬৩৫ তাং- ১৪.১০.২০১৭ খ্রিঃ আটককারী কর্মকর্তাগণের নিকট পেশ করেন। শুল্ক গোয়েন্দার উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি ২টি গাড়ি দ্রুত পালিয়ে যায়। শুল্ক গোয়েন্দা দল পণ্যসমেত কাভার্ডভ্যানটি আটক করে ভোররাতেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে। গাড়িসহ আটককৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ০১(এক) কোটি টাকা।









Leave a reply