খুলনায় অস্তিত্বের লড়াইয়ে হেভিওয়েট প্রার্থীরা

|

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা ছয়টি আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীরা।
খুলনা-৩ ও ৫ আসনে আবার জয় পেতে মরিয়া মহাজোট প্রার্থী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ও নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

একই সঙ্গে খুলনা-২ আসনে দলের নতুন প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

এই আসনে তার শক্ত প্রতিপক্ষ মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

এ ছাড়া খুলনা-৩ ও ৪ আসনে বিএনপির তরুণ নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল ও আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যাশা করছেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করে বিএনপি-জামায়াত জোট। ওই নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের পাঁচটি পায় বিএনপি-জামায়াত। বাকি একটি আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ।

একইভাবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। নির্বাচনে খুলনার পাঁচটি আসন আওয়ামী লীগ আর বিএনপি পায় একটি।

তবে ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেয়ায় আওয়ামী লীগ খুলনার সব কয়টি আসনে বিজয়ী হয়। ফলে ১০ বছর পর সংসদ নির্বাচনে অস্তিত্বের লড়াইয়ে নেমেছেন দুদলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খুলনা-২ আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর জয়-পরাজয় স্থানীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), খুলনার জেলা সম্পাদক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই খুদা বলেন, এই আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পরাজয় হলে তা হবে নক্ষত্রের পতন। একইভাবে সালাহউদ্দিন জুয়েল জিতলে তা হবে চমক।

অন্যদিকে খুলনা-৫ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ২০০৮ ও ২০১৪ সালে পরপর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এখানে ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিপক্ষ জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার।

২০০১ সালে গোলাম পরওয়ার এখানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ফলে এ আসনেও দুই প্রার্থীর মধ্যে জমজমাট লড়াই হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এ ছাড়া খুলনা-৩ আসনে মহাজোটের প্রার্থী মন্নুজান সুফিয়ানের প্রতিপক্ষ সাবেক ছাত্রদল নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল।

আর খুলনা-৪ আসনে বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালের প্রতিপক্ষ মহাজোটের আবদুস সালাম মুর্শেদী।

এরই মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে শুরু করেছেন।

(সূত্র: যুগান্তর)


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply