×
Logo

সারাদেশ

সেন্টমার্টিনে পর্যটক নেই, জীববৈচিত্র্যে ফিরেছে প্রাণ, তবে স্থানীয়রা কষ্টে

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:৪৪ পিএম

সেন্টমার্টিনে পর্যটক নেই, জীববৈচিত্র্যে ফিরেছে প্রাণ, তবে স্থানীয়রা কষ্টে

মনিরুল ইসলাম, কক্সবাজার থেকে:

বিস্তীর্ণ বালুরাশি পেরিয়ে সমুদ্রের পানির দেখা পাওয়া যেন দুনিয়া জয় করার সমান কচ্ছপ ছানাদের কাছে। মন ভালো করা এমন দৃশ্য এখন প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে সেন্টমার্টিনের সৈকতে। হাজার-হাজার পর্যটকের ভিড়ে যা দেখা অসম্ভব।

এখন পর্যটক নেই, তাই সেন্টমার্টিনের প্রকৃতি সেজেছে আপন রূপে। প্রবাল দ্বীপের জীববৈচিত্র্যও প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

অন্যসময় বছরে পর্যটকের জন্য খোলা থাকতো চারমাস। এই মৌসুম থেকে মাত্র দুইমাসের জন্য খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের। সে অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারী থেকে দশ মাসের জন্য পর্যটক নিষিদ্ধ করা হয়। বন্ধের প্রায় দুইমাস পর অনেকটা ইতিবাচক পরিবর্তন দ্বীপটিতে। সৈকতে নেই তেমন কোনো প্লাস্টিক। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন প্রবাল। আবার প্রবালে জন্ম নিচ্ছে সামুদ্রিক উদ্ভিদও। জীববৈচিত্র পেয়েছে নতুন প্রাণ।

কিন্তু কষ্টে আছে স্থানীয় মানুষ। পর্যটক বন্ধে সেন্টমার্টিনে যারা পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা করেন, গত দুই মাসের আয় দিয়ে সামনের দশ মাস কীভাবে চলবেন, সেই দুশ্চিন্তায় তারা। আবার যারা দিনমজুর বা উদ্বাস্তু তাদের অবস্থাও বেশ নাকাল।

মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা, এই মৌসুমে তেমন মাছ উঠছে না সাগরে। এতে জেলে পরিবার বা মৎস্য ব্যবসায়ীদের অবস্থাও খারাপ। এতে বেশ দুশ্চিন্তায় সেন্টমার্টিনের মানুষ। বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি স্থানীয়দের।

জেলা প্রশাসন বলছে, পরিবেশ রক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমন মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য বিকল্প কিছুর সন্ধান করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত তেমন বড় পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেছেন, অনেকগুলো জিনিস তারা তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের বলেছেন; শুটকি ও মৎস্য আহরণ, যেটি তারা আগে থেকে করতেন। সরকার সরাসরি সেখানে গিয়ে বললে হবে না, এটা আপনি করেন। উনার যেটাতে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা ও দক্ষতা আছে সেগুলো প্রস্তাব করবেন, আমরা সেখানে সহায়তা করবো।

/এমএন

Logo