সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড়

|

ঢাকার নবাবগঞ্জে হোটেলে অবস্থানরত যমুনা টেলিভিশন ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের উপর সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। এখন পর্যন্ত নিন্দা জানিয়েছেন বিএফইউজে, ডিইউজে, আরডিজেএ, ডিআরইউ, ইআরএফ, এলআরএফ, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টাস ফোরামসহ আরো বেশ কয়েকটি সংগঠন।

বিএফইউজে-ডিইউজের প্রতিবাদ: ঢাকার নবাবগঞ্জে হোটেলে অবস্থানরত যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের উপর সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। বিএফইউজে সভাপতি মোল­া জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী গতকাল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনাকে অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক উলে­খ করে এর সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
যৌথ বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর এ ধরণের হামলা সাংবাদিক সমাজকেই আতঙ্কিত করে। সাংবাদিকরা দেশ ও জনগনের কল্যাণে কাজ করে থাকেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি-নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের শিকার হতে হয়। যেটা পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ। এর অবসান হওয়া জরুরি এবং এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সরকারকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত।

বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলায় ১০ জন সাংবাদিক আহত হওয়া এবং ১৬টি গাড়ি ভাংচুরের বিষয়টি মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু তাই নয়, দীর্ঘসময় ধরে চলা সন্ত্রাসী হামলার সময় স্থানীয় পুলিশের ভ‚মিকাও সন্দেহজনক। পুলিশ এ ধরণের ঘটনার সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বদলে নিশ্চুপ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ সাংবাদিক সমাজসহ জনগনের কাম্য নয়। পুলিশের কাজ হলো শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেখানে পুলিশের স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফোন রিসিভ না করা মানে সন্ত্রাসীদের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতা করা। এটা কখনোই রাষ্ট্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।
নেতারা অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকবান্ধব একজন নেতা ও প্রধানমন্ত্রী। তাকে বিব্রত ও বিতর্কিত করার জন্য কোনো মহল এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা সেটিও পর্যালোচনা করা দরকার।

ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি’র নিন্দা : ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নবাবগঞ্জে সোমবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়েছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সদস্যসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। দুর্বৃত্তরা গণমাধ্যমের বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করে। সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন ডিআরইউ’র সদস্য মিজান মালিক, মুজিব মাসুদ, নেসারুল হক খোকন, আব্দুল­াহ তুহিন, সুশান্ত সিনহা,সিরাজুল ইসলাম, সাজ্জাদ পারভেজসহ বেশ কয়েকজন।
এ ঘটনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা ন্যাক্কারজনক এবং মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতার সামিল। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় দেশজুড়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখে সাংবাদিক সমাজ খুবই ক্ষুব্ধ। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনকে উদ্দ্যোগ নিতে হবে এখনই। অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান নেতৃবৃন্দ। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেবে ডিআরইউ।

ক্র্যাব: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ক্র্যাব সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলমের দেয়া এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগের কথা জানান। তারা বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের লাঞ্ছিতের ঘটনা উদ্বেগের বিষয়, যা আমাদের কাম্য নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকার নবাবগঞ্জ দোহারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ক্র্যাবের নবনির্বাচিত সহসভাপতি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মিজান মালিক, যুগ্ম সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ক্র্যাব বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি নেসারুল হক খোকন, সিনিয়র সদস্য মুজিব মাসুদ, আব্দুল­াহ তুহিন, তানভীর হাসান, ইমতিয়াজ আল মোমিন, সাজ্জাদ পারভেজ গত সোমবার দিবাগত রাতে হামলার শিকার হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা তাদের লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি তাদের ব্যবহƒত হোটেলকক্ষ ব্যাপক ভাঙচুর করে। এমনকি সবাইকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় ক্র্যাব কার্যনির্বাহী কমিটি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান নেতারা।

আরডিজেএ’র প্রতিবাদ: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকাস্থ রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি (আরডিজেএ)। সংঘঠনটির সভাপতি মহসীনুল করিম লেবু ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল কবির আসিফ এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ী ভাঙচুর সম্পূর্ণ অন্যায় ও স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য বাঁধা। এ ধরনের ঘটনা ন্যক্কারজনক। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।
ইআরএফের তীব্র নিন্দা: যুৃগান্তর ও যমুনা টিভির সাংবাদিকদের ওপর সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)। মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল ও সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম এ ঘটনায় নিন্দা জানানোর পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া যুগান্তর ও যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি অমিতোষ পাল ও সাধারণ সম্পাদক মতিন আব্দুল­াহ। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেছেন তারা।

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রির্পোটার্স ফোরাম (বিএসআরএফ): নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে ঢাকার নবাবগঞ্জে একটি হোটেলে অবস্থানরত যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)। ফোরামের সভাপতি শ্যামল সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মহসীন আশরাফ এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। মঙ্গলবার ফোরামের দফতর সম্পাদক মানুদ রানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়- পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যাওয়া সাংবাদিকদের উপর ন্যক্কারজনক এই হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্থ করবে। ভোট গ্রহণের আগ মুহূর্তে এই ধরণের হামলা নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে। বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সঙ্গে জড়িতদের প্রতি জোর দাবিও জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

রিলিজিয়ার্স রির্পোটার্স ফোরাম (আরআরএফ): ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে রিলিজিয়ার্স রির্পোটার্স ফোরাম(আরআরএফ)। সংগঠনটির সভাপতি ফয়েজ উল­াহ ভুইয়া ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ প্রতিবাদ জানান। সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ী ভাঙচুর সম্পূর্ণ অন্যায় ও স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য বাঁধা। এ ধরনের ঘটনা ন্যক্কারজনক। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।

ফুড অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট রির্পোটার্স ফোরাম(এফডিএমআরএফ): ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ফুড অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট রির্পোটার্স ফোরাম(এফডিএমআরএফ)। সংগঠনটির সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মোহসীনুল করিম লেবু এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ী ভাঙচুর সম্পূর্ণ অন্যায় ও স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য বাঁধা। এ ধরনের ঘটনা ন্যক্কারজনক। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।

জামালপুর সাংবাদিক ফোরাম: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জামালপুর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা । সংগঠনটির আহবায়ক বদিউজ্জামান ও সদস্য সচিব উবায়দুল­াহ বাদল এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান। সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ী ভাঙচুর সম্পূর্ণ অন্যায় ও স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য বাঁধা। এ ধরনের ঘটনা ন্যক্কারজনক। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।

ল’ রিপোর্র্টার্স ফোরাম’র (এলআরএফ) দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি: ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সোমবার গভীররাতে সন্ত্রসীদের হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন ল’রিপোর্টাস ফোরামের সদস্য মিজান মালিক ও আব্দুল­াহ তুহিনসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। এসময় সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করে।

এ ঘটনায় ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি সাঈদ আহমেদ খান এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান জাবেদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামলার ঘটনায় তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেছেন, পেশাগত দায়িত্বপালনকালে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা সাংবাদিক সমাজকে আতঙ্কিত করে। এটা পেশাদার সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এর অবসানের জন্য রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত। পুলিশের কাজ হলো জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সেখানে সঠিক সময়ে পুলিশের সহযোগীতা পাওয়া যায়নি। এটা কখনো দেশের জন্য শুভকর নয়। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান : ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠন। এক বিবৃতিতে, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।









Leave a reply