গাইবান্ধা-৪ আসনে জাতীয় পার্টি প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন

|

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী কাজী মশিউর রহমান নির্বাচন বর্জন করেছেন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে গোবিন্দগঞ্জের খানাবাড়ি নিজ অফিস কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

এ সময় মশিউর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ভোট গ্রহণ শুরু থেকেই ১৩৯টি ভোট কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাঁধা দেওয়া হয়। ভোট গ্রহণের এক ঘণ্টা যেতে না যেতেই বেশ কিছু কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকা প্রতিকের প্রার্থী প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নেতাকর্মীরা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহীনির সদস্য ও কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইটিং কর্মকর্তাদের সহায়তায় ভোট কেন্দ্রগুলো নিজেদের দখলে রাখে। সেই সঙ্গে জাপার নেতাকর্মী ও মুখ চেনা ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাঁধা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নির্বাচন করা অসম্ভব হওয়ায় ভোট বর্জন করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ভোটারদের স্বর্তঃফুর্ত উপস্থিতি ও নৌকার বিজয় নিশ্চিত জেনেই প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। অধিকাংশ কেন্দ্রেই লাঙ্গলের এজেন্ট নেই। কোন এজেন্ট প্রবেশে বাঁধা ও বের করে দেয়ার ঘটনাও সত্য নয়। জনগণের ভোটের বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশা করেন তিনি’।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাঠে নামলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে ধানের শীষের প্রার্থী ফারুক কবীর আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল হয়। অন্য প্রার্থীরা হলেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতিকে খন্দকার মো. রাশেদ, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকে আবুল কালাম, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির কোদাল প্রতীকে ছামিউল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকে সৈয়দ তৌহিদুল ইসাম তুহিন।

এ আসনে ১৩৯টি ভোট কেন্দ্রে ৭৪১টি ভোট কক্ষ রয়েছে। ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২শ’ ৯৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭শ’ ৭৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫শ’ ২১ জন।









Leave a reply