পেটে সন্তান রেখে সেলাই দেয়ার ঘটনায় হাইকোর্টের রুল

|

কুমিল্লায় সিজারিয়ান অপারেশনের সময় জমজ সন্তানদের একজনকে মায়ের গর্ভে রেখে সেলাই দিয়ে দেয়ার ঘটনায় স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।  এ ধরনের ঘটনা কেন অবৈধ হবেনা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আজ রোববার এ রুল জারি করা হয়। একই সাথে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন, ডায়াগনিস্টিক সেন্টারের মালিক, অপরেশনকারী ডাক্তারকে আগামী ৭ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত সেপ্টম্বর মাসে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে ‘লাইফ ডিজিটাল হাসপাতাল’ নামের ক্লিনিকে প্রসূতি খাদিজা আক্তারের জমজ সন্তানের একজনকে বের করার পর অন্যজনকে ‘টিউমার’ ভেবে সেলাই করে দেন চিকিৎসকরা। এরপর প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। গত বুধবার নতুন করে অপারেশন করে খাদিজার পেটে থাকা বাচ্চাকে মৃত অবস্থায় বের করা হয়। খাদিজার মা আমেনা জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ওই ক্লিনিকে ডা. হোসনেয়ারা ও ডা. মঞ্জুরুল ইসলাম খাদিজার অস্ত্রোপচার করেন। তখন একটি কন্যাসন্তান প্রসব করেন খাদিজা। প্রসূতিকে অস্ত্রোপচার কক্ষ থেকে বের করার পরও তার পেট ফোলা দেখে স্বজনরা ডা. হোসনেয়ারার কাছে জানতে চান। তখন ওই চিকিৎসক জানান, খাদিজার পেটে একটি টিউমার আছে। সুস্থ হওয়ার পর ঢাকা নিয়ে অস্ত্রোপচার করতে বলেন ডা. হোসনেয়ারা। পরে খাদিজা জানতে চাইলেও একই কথা বলেন ওই চিকিৎসক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত করে অভিযোগের সতত্যা পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

কুমিল্লা মেডেকেল কলেজ সাবেক অধ্যক্ষ ডা. অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এমন আনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নজরদারি বাড়াতে হবে।









Leave a reply