একুশের বইমেলায় ‘হইচই’

|

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ‘হইচই’ নিয়ে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম। আদর্শ থেকে প্রকাশিত সাইকোলজিক্যাল ফিকশন ঘরানার এই বইটি ইতিমধ্যে পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।

আরমান আরিফ নামে একজন পাঠক লিখেছেন, “মানুষের যাপিত জীবনের টুকরো টুকরো কিছু মনোসামাজিক সমস্যাকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক| বইয়ের মুখ্য চরিত্র আজিম সাহেবের মধ্যে মিসির আলির একটা ছায়া আমার চোখে পড়েছে | আমার কাছে অন্তত এমনটাই মনে হয়েছে| এই ধরনের চরিত্র মিসির আলি ছাড়াও অন্যান্য বইয়েও আমি পড়েছি | তবে সেখানে এই ধরনের চরিত্রকে মিসির আলির সাথে মেলাতে পারিনি | এটা বাড়িয়ে বলা হলেও কিছু করার নাই | আমার অনুভূতিটা লিখতে হবেই | স্যার দারুণ লিখেছেন | কিছু কিছু জায়গা খুবই হাস্যরস্বাত্মক ছিল বলে মজা পেয়েছি পড়ে | অসাধারণ লেগেছে প্রতিটা গল্প | আপনার বই প্রতিবছর কিন্তু আশা করছি | এক নিঃশাসে পড়ে ফেলার মতো ছিল বলে রাত জেগেই পড়ে শেষ করেছি |”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক সানজিদা খান হইচই নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, “সবগুলো গল্পই আমি একটানা পড়ে শেষ করেছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে খুব সহজ ভাষায় লেখা রহস্যের ফ্লেবার মেশানো সাইকোলজিক্যাল ‘হইচই’ নিয়ে গল্পগুলো। যারা থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের ভাল লাগার কথা। আর যারা সাইকোলজির সাথে যুক্ত তারাও বেশ মজা পাবেন নিঃসন্দেহে, সাথে রহস্যে ভরা কেসগুলো আপনাকে ভাবাবে বটে!”

আদর্শের কর্ণধার মাহাবুব রহমানও একই সুরে বললেন, মূলত যাপিত জীবনের নানাদিক নিয়ে মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ সরল আর সাবলীলভাবে উপস্থাপনার জন্যই আজহারুল ইসলামের লেখার এই পাঠকপ্রিয়তা। এর আগে মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি এবং মানসিক চাপ মোকাবিলা নিয়ে লেখা মনোসন্ধি বই দুটিও দারুণ সাড়া ফেলেছিল।

বইমেলায় যমুনার প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় লেখকের। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে সফল আর সুখী মনে হলেও আমাদের অনেকের ভেতরে ভেতরে চলে নানা অস্থিরতা বা হইচই। এই বইয়ে এরকম চারজন মানুষের গল্প আছে। প্রতিটি গল্পেই দেখা যাবে কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট আজিম সাহেবকে যিনি গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোর ভেতরে চলমান কিন্তু দৃশ্যমান নয় এরকম হইচইগুলোকে দেখতে সহায়তা করছেন।

হইচই
প্রকাশকঃ আদর্শ, স্টল নং ৫৪৫, ৫৪৬, ৫৪৭
প্রচ্ছদঃ মোস্তাফিজ কারিগর
পৃষ্ঠাঃ ১১২
মুল্যঃ ২৫০ টাকা









Leave a reply