মানিকগঞ্জে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

|

স্টাফ রিপোর্টার,মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জে ডাকবাংলায় আটকে রেখে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। এক আত্মীয়ের সাথে পাওনা টাকা আদায় করতে গেলে সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপার ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অভিযোগের পর ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম জানান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান সিদ্দিক ও ডিএসবির সহকারী পুলিশ সুপার হামিদুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ কর্মকর্তা বলে তারা আলাদা কোন সুযোগ পাবেন না।

রোববার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিতভাবে ওই তরুণী অভিযোগ করেন, সাভারের আশুলিয়া এলাকার তার এক খালা সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেনের কাছে ৩ লাখ টাকা পাবেন। বুধবার খালার সাথে ওই তরুণী সাটুরিয়া থানায় গেলে সেকেন্দার তাদেরকে ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। এর পর তাদের দুইজনকে দুই রুমে আটকে রাখেন। সেকেন্দারের সাথে সেখানে উপস্থিত হন থানার আরেক এএসআই মাজহারুল ইসলাম।  ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে  ইয়াবা সেবন করিয়ে ২ দিন ২ রাত আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। শুক্রবার সকালে তাদেরকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেয়া হয়।









Leave a reply