মিঠাপুকুরে ভিএসও-এর ন্যাশনাল সিটিজেন সার্ভিস প্রকল্পের অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

|

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় এমজেএসকেএস’র আয়োজনে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা ভলান্টারি সার্ভিস ওভারসিস (ভিএসও) এর ন্যাশনাল সিটিজেন সার্ভিস (এনসিএস) প্রকল্পের ইন-কমিউনিটি অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিস হল রুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এনসিএস প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা প্রদান করার পাশাপাশি ভিএসও ভলান্টিয়ারদের সাথে স্থানীয় যুব ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, জন প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অংশীজনদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন-অর-রশিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রেজাউল করিম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছাঃ মল্লিকা পারভীন, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রদীপ কুমার গোস্বামী এবং এনসিএস প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এনসিএস প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মসূচী ও অর্জন তুলে ধরার পাশাপাশি বলেন, “আমরা মূলত কাজ করি মানুষের জীবিকা, কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে। আমরা আমাদের প্রকল্পের আওতায় জীবিকা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের আয়োজন করবো”।

প্রকল্প বাস্তবায়নে মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

মোঃ রেজাউল করিম বলেন, “মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অর্থনৈতিক মুক্তি সব থেকে বড় অন্তরায়। এনসিএস প্রকল্পের মত কর্মসূচী সেই অন্তরায় দূর করতে ভূমিকা রাখছে। দেশের সকলে মিলে কাজ করলে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে পারব।”

মোছাঃ মল্লিকা পারভীন উক্ত প্রকল্পে নারীদের অংশগ্রহণে বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “পুরুষদের জন্য অনেক ধরণের প্রশিক্ষণ আমরা দেখে থাকি। কিন্তু নারী ক্ষমতায়নের দিক থেকে দেখলে সেই তুলনায় নারীদের জন্য প্রশিক্ষণের পরিমাণ এখনও অনেক কম”।

ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন “আয়ের উৎস সৃষ্টিতে এরকম প্রশিক্ষণ সমাজের দরিদ্রতা হ্রাস করতে সহায়তা করবে। তবে প্রশিক্ষণ শেষে যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা নিজেদের প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে নিজের ও সমাজের উন্নয়ন ঘটায় পাশাপাশি সেদিকটিও লক্ষ্য রাখতে হবে।”

প্রদীপ কুমার গোস্বামী এনসিএস প্রকল্পের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করে বলেন, “আমরা জনগণই একেকটা গ্রামকে পরিবর্তন করবো। প্রতিটি যুব ক্লাবের নেতৃত্বে গ্রামের উন্নয়ন ঘটবে।”

উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং ভলান্টিয়ারদের টিম লিডার আয়মান রাহাতের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ আব্দুর রশিব বলেন “যুবক-যুবতীদের যথাযথ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে আমরা ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছে যেতে পারব।”

এছাড়াও মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, নারী সদস্যবৃন্দ, ভিএসও-এনসিএস প্রকল্পের মিঠাপুকুর শাখার ভলান্টিয়ারগণ, প্রজেক্ট অফিসার পলাশ চন্দ্র রায় এবং যুব ক্লাবের সদস্যরা উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন।









Leave a reply