সৌদিকে স্পর্শকাতর পরমাণু প্রযুক্তি দেয়ার চেষ্টা ট্রাম্প প্রশাসনের

|

উদারভাবে অর্থ ঢালা কর্পোরেট সমর্থকদের তুষ্ট রাখতে সৌদি আরবের কাছে স্পর্শকাতর পরমাণু প্রযুক্তি বিক্রি করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলছেন, তারা এ খবরের সত্যতা নিয়ে তদন্ত করতে যাচ্ছেন।

মার্কিন একাধিক শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবকে পরমাণু প্রযুক্তি দেয়ার উদ্যোগটি নিয়েছেন সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফিন। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টি এখনও বিবেচনা করছেন।

বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রকাশিত এক রিপোর্টে এমন তথ্য ফাঁস করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন তথ্যফাঁসকারী (হুইশলব্লোয়ার) এ ব্যাপারে হুশিয়ারি করে আসছিলেন।

এ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পর্যবেক্ষণ ও সংস্কারবিষয়ক কমিটির প্রধান ইলিজাহ কামিংস।

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার প্রথম দুই মাসের মধ্যে তার জামাতা ও হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জারেড কুশনারের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠক সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

কমিটির একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবকে স্পর্শকাতর প্রযুক্তি হস্তান্তরে ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক স্বার্থ আগ্রাসীভাবে কাজ করেছে।

‘সৌদি আরবে পারমাণবিক স্থাপনা পরিচালনা এবং তা নির্মাণের ঠিকাদারির মাধ্যমে শত শত কোটি ডলার পেতে এসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ পদ্ধতির আশ্রয় নিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এখনও স্পষ্টভাবেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১২৩ চুক্তিগুলোতে ঐকমত্যে না পৌঁছালে যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশকে বৈধভাবে পরমাণু প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে পারে না। এতে শান্তিপূর্ণ জ্বালানি ব্যবহারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিনিধি পরিষদের আশঙ্কা মার্কিন প্রযুক্তিকে পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের দিকে নিয়ে যেতে পারে সৌদি আরব। বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশটির সঙ্গে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের উত্তেজনা ইতিমধ্যে চরম পর্যায়ে চলে গেছে।









Leave a reply