‘দুর্যোগ পূর্বাভাস ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ হবে বিশ্বের রোল মডেল’

|

দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ পূর্বাভাস ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ হবে বিশ্বের রোল মডেল। আজ রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বন্যা-সহনশীলতা বৃদ্ধি শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদী এক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি সরকার এবং এনজিওগুলোর মধ্যে আরও সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের জেষ্ঠ্য সচিব ও জেনারেল ইকোনোমিক ডিভিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের গবেষণা পরিচালক মোঃ হারুন-অর রশিদ মোল্লাহ।

ড. শামসুল আলম তার বক্ত্যব্যে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বন্যার পূর্বাভাস ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবার উপরে জোর দেন।

সঠিক সময়ে করণীয় নির্দেশনাসহ দুর্যোগের পুর্বাভাস কিভাবে বন্যা কবলিত মানুষের উন্নয়ন ঘটাতে পারে অনুষ্ঠানে তার বর্ণনা দেন প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান।

তিনি বলেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে সিরাজগঞ্জ জেলার মানুষেরা এই পূর্বাভাস পেয়ে আসছে, যার ফলে তারা বন্যার কারণে ফসল, গবাদি পশু ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ এখন প্রায় সবাই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতাধীন এবং ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যাও ক্রমাগত বাড়ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বন্যার প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশে গত ৪০ বছরে ৫২০,০০০ মানুষ মারা গেছে। বিগত ১৯৯৮ এবং ২০০৪ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় বাংলাদেশের প্রায় ৫ শতাংশ জিডিপির ক্ষয়ক্ষতি করেছে যার মূল্যমান যথাক্রমে ২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এমতাবস্থায় কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড, মার্সি কর্পস এবং প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশে জুরিখ ফ্লাড রেসিলিয়েন্স এলায়েন্স-এর আর্থিক সহায়তায় এই প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে; যার আওতায়, ফরিদপুর, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট অঞ্চলের ৭২০০০ মানুষ উপকৃত হবেন।









Leave a reply