বগুড়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ ‘চরমপন্থি’ নিহত, অস্ত্র জব্দ

|

বগুড়া ব্যুরো:

বগুড়ার শেরপুরে দুই পক্ষের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। পুলিশ বলছে, নিষিদ্ধঘোষিত পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টির দুই পক্ষের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে।

গত ৯ এপ্রিল পাবনায় বিভিন্ন চরমপন্থি দলের সমস্যদের আত্মসমর্পণের আগের রাতে শেরপুরের এই এলাকাতেই পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির সদস্যদের গুলিতে আহত হয়েছিলেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী যমুনা নিউজকে জানান, শেরপুরের ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজের ওপর সর্বহারা দলের দুই পক্ষ গোলাগুলি করছে এমন খবর পেয়ে রাত ১টা নাগাদ থানার পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা গুরুতর জখম অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল , ১টি ওয়ান শুটার , ৮ রাউন্ড গুলি , ২টি চাপাতি এবং পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির হাতে লেখা ৩ টি পোস্টার জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান সনাতন চক্রবর্তী।

পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা যমুনা নিউজকে জানান, নিহত ২ ব্যক্তির নাম আফসার ও লিটন। তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জানা না গেলেও তারা দু’জন সর্বহারা সদস্য বলে তারা প্রাথমিক আলামতে ধারণা করছেন বলে জানান পুলিশ সুপার।

গত ৮ এপ্রিল মধ্যরাতে শেরপুরের এই ভবানীপুর বাজারে আত্মসমর্পণবিরোধী পোস্টার সাঁটানোর পর টহল পুলিশের মুখে পড়ে সর্বহারা সদস্যরা। সর্বহারাদের একটি দল ইউনিয়ন পরিষদের ভবনসহ বিভিন্ন দেয়ালে পোস্টার সাঁটায়। পোস্টারে বলা হয়, ‘পাবনায় কয়েকটি বিপ্লবী পার্টির নামে রাষ্ট্রীয় চক্রান্তে ৬১৪ জন সদস্যের নাটকীয় আত্মসমর্পণকে প্রত্যাখান করুন। আদর্শহীন-পথভ্রষ্ট তথাকথিত আত্মসমর্পণকারীদের মুখোশ উন্মোচন করুন। ‘পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির উত্তরাঞ্চল শাখা’র নাম উল্লেখ করা পোস্টারটিতে গ্রামে গ্রামে গেরিলা স্কোয়াড গঠনেরও আহ্বান জানানো হয়।

পরে টহল পুলিশের সঙ্গে সর্বহারা সদস্যদের গুলি বিনিময় হয় গোলাগুলির সময় পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক নান্নু মিয়ার পায়ে একটি গুলি বিদ্ধ হয়।









Leave a reply