ঢাকায় জয় পেলো ঢাকা-রাজশাহী

|

আজ থেকে শুরু হওয়া বিপিএলের ঢাকা পর্বে জয় পেয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস ও রাজশাহী কিংস।

দিনের প্রথম ম্যাচে, সিলেট পর্বের দুই ম্যাচে হারলেও ঢাকা পর্বে প্রথম ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে রাজশাহী কিংস। রংপুর রাইডার্সকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। রংপুরকে ১৩৪ রানে আটকে দিয়ে রাজশাহী ম্যাচ জেতে ২০ বল হাতে রেখে। ম্যাচ সেরা মুমিনুল হক ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন।

টুর্নামেন্টের নবম ম্যাচে এসে প্রথম দল হিসেবে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। রাইডার্স একাদশে ছিল দুটি পরিবর্তন। রাজশাহীর একদশে পরিবর্তন চারটি। নিয়মিত অধিনায়ক সামি ও লুকরাইটের ইনজুরি সঙ্গে প্রথম দুই ম্যাচে ব্যর্থ সামিত প্যাটেল ও হোসেন আলির পরিবর্তে লেন্ডল সিমন্স, ম্যালকম ওয়ালার, মোহাম্মদ সামি ও নিহাদুজ্জামানকে নিয়ে একাদশ গড়েন সহ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রনে মুশফিকের দল। কিন্তু মাত্র ৩৩ রান তুলতেই দলের রংপুর রাইডার্সের তিন টন অর্ডার ব্যাটসম্যান জনসন চার্লস, অ্যাডাম লেথ, আর মোহাম্মদ মিথুনকে তুলে নেন মেহেদী মিরাজ ও ফরহাদ রেজা।

উইকেট অনবরত না পড়লেও রংপুরের রানের চাকা স্থবির করে রাখেন রাজশাহীর তিন বোলার মিরাজ, মোহাম্মদ সামি ও জেমস ফ্রাঙ্কলিন। আর তাতে বোপারার ৫১ বলে ৫৪ আর শাহরিয়ার নাফীসের ধিরস্থিন ২৩ আর জিয়ার ১১ বলে ১০ রানের ইনিংসের পরও ৫ উইকেটে মাত্র ১৩৪ রান করতে সমর্থ হয় রংপুর। ছোট স্কোর ডিফেন্ড করতে নেমে শুরুতে মশরাফির বলে মুমিনুলের সহজ ক্যাচ মিস করেন নাজমুল অপু। যা শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাড়ায় রাইডার্সদৈর জন্য। জীনব পেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন মুমিনুল হক। হাথুরু সিংহের কথিত টেস্ট স্পেশালিস্ট ৩৪ বলে তুলে নেন ফিফটি । তার ইনিংসটি সাজানো ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কায়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছে ফিফটি পেয়েছেন লেন্ডন সিমন্সও। তবে সিমন্স ৫৩ করে ফিরলেও মুমিনুলের ৬৩ আর রনি তালুকদারের অপরাজিত ১০ রানের ইনিংসে ২০ বল আগে আট উইকেটে বড় জয় পায় রাজশাহী কিংস।

দিনের অপর খেলায়,  টেবিল টপার সিলেট সিক্সার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে টুর্নামেন্ট ফেবারিট ঢাকা ডায়নামাইটস। দুই স্পিনার আফ্রিদির ৪ ও নারিনের ৩ উইকেট শিকারে ৯ উইকেটে মাত্র ১০১ রানেই গুটিয়ে যায় নাসিরের সিলেট। জবাবে, ৭৩ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ঢাকা। এভিন লুইস ৪৪ ও ম্যাচসেরা শহিদ আফ্রিদি ৩৭ রান করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে ঢাকাকে ৯ উইকেটে হারানো সিলেট, সপ্তাহ না ঘুরতেই ৮ উইকেটের পরাজয় ফিরে পেলো একই প্রতিপক্ষের কাছে।

টস জিতে বোলিং এর ফায়দা পুরোপুরি তুলে নেয় সাকিবের ঢাকা। আফ্রিদি ৪, নারাইনের ৩ আর আবু হায়দার রনির ২ উইকেট শিকারে, ৫৩ রানে ৯ উইকেটের দলে পরিণত হয় সিলেট। সেখান থেকে মান বাঁচে আবুল হাসান রাজু ও তাইজুল ইসলামের ৪৮ রানের জুটিতে। ৫ ম্যাচে সাব্বিরের রান যেখানে ২১,সেখানে রাজু অপরাজিত ৩০ রানে। ১০২ রানের লক্ষ্যটা মামুলি হয়ে যায় আফ্রিদি-লুইসের ৫৯ রানের উদ্বোধনী জুটিতে। ১১ ছয়ে ম্যাচের স্থায়িত্ব মাত্র ৭ দশমিক ৫ ওভার। আফ্রিদি ৩৭ রানে ফিরলেও লুইস অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে। অধিনায়ক সাকিব ১৮ রান করে ফেরেন দলের টানা দ্বিতীয় জয় ঘরে তুলে।

যমুনা অনলাইন-এফআর









Leave a reply