সন্ধ্যায় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণি

|

পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত শক্তিশালী ঘুর্ণিঝড় ‘ফণি’ আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে। এগোচ্ছে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে। আজ বিকালেই
ভারতের ভূখণ্ডে আঘাত হানতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফনি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ উপকূলে সরাসরি আঘাত হানবে না ফণি। ভারতে আঘাতের পর কিছুটা শক্তি হারিয়ে ঝড়টি আজ সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এরইমাঝে, সাইক্লোনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে শুরু হয়েছে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল বা দুপুর নাগাদ ভারতের পুরি সমুদ্র সৈকতের কাছে অবস্থান করবে ফণি। সন্ধ্যা বা মধ্যরাতে অবস্থান করতে পারে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে। বাংলাদেশে যখন অবস্থান করবে, তখন তার গতিবেগ কমে ঘণ্টায় হতে পারে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার, এমন তথ্যও জানায় আবহাওয়া অফিস। এখন পর্যন্ত সতর্ক সংকেত বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলেও জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক।

পূর্বাভাস বলছে, গতিপথ পরিবর্তন না হলে ফণি আঘাত হানতে পারে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালীসহ ১৪ উপকূলীয় জেলায়। তাই প্রতিটি জেলাতেই হয় দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভা। প্রস্তুত সাইক্লোন শেল্টার। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে স্কুল-কলেজ। মজুত আছে খাবারও। সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও তৈরি রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলায়।

১৯৯৯ সালের পর এটাই উপমহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ঘূর্ণিঝড়। ভারতের তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িষা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে। তবুও, দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আশঙ্কা- ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়বে ৫০টি শহর, ১০ হাজারের বেশি গ্রাম-লোকালয়।









Leave a reply