নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে চলছে স্পিডবোট-ট্রলার

|

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর
ঘূর্ণিঝড় ফণির নিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে স্পিডবোট ও ট্রলার মালিকেরা রমরমা বাণিজ্যে শুরু করেছে। নিষেধাজ্ঞার পরও সারাদিন ও রাতে স্পিডবোট ও ট্রলার চললেও শিমুলিয়ায় বিআইডব্লিউটিএ ও নৌ পুলিশের তেমন কোন ভুমিকা চোখে পড়েনি। স্পিডবোট, ট্রলারে ও ফেরিতে নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।

এদিকে রাতে স্পিডবোট ও ট্রলারের সাথে সংর্ঘষে স্পিডবোটের এক যাত্রী নিহত, এক শিশু নিখোঁজ ও অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছে।

সরেজমিনে ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ । লঞ্চ চলাচল সম্পুর্ন বন্ধ থাকলেও শিমুলিয়া পার থেকে গভীর রাত পর্যন্ত স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল করতে দেখা যায়। শুক্রবারও এ ধারা অব্যাহত ছিল। কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকলেও শিমুলিয়া ঘাট থেকে অহরহ চলে স্পিডবোট ও ট্রলার। নেয়া হয় বাড়তি ভাড়া। শুক্রবার দুুপুরে কাঠালবাড়ি ঘাটে প্রশাসন অভিযান চালালে শিমুলিয়ায় অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে নৈরাজ্য।

কবির হোসেন নামের এক ট্রলার যাত্রী বলেন, শিমুলিয়া ঘাটে অরাজকতা চলছে। আমার কাছ থেকে স্পিডবোটের ভাড়া ২শ টাকা নিয়ে ট্রলারে পদ্মা নদী পার করালো। বিআইডব্লিউটিএ বা নৌ পুলিশের কোন তৎপরতা নেই।

এদিকে নিখোঁজ আমির হামজার মামা কামরুল হোসেন বলেন, আমার বোন, জামাই ২ ভাগিনা নিয়ে আমাদের বাড়ি আসছিল। স্পিডবোট ডুবিতে বোন জামাই ও বড় ভাগিনা গুরুতর আহত। আর ছোট ভাগিনা নিখোঁজ রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বারবার চেষ্টা করলেও ওকে পাওয়া যাচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসির কাঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার আঃ সালাম বলেন, সীমিত আকারে ফেরি চলছে। ফেরিগুলোতে যাত্রীদের প্রাধান্যই বেশি।

শিবচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার মোঃ মর্তুজা ফকির বলেন, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে ঢাকার ডুবুরি দল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।









Leave a reply