ব্রিজ দখল করে ইউপি চেয়ারম্যানের অফিস নির্মাণ

|

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শিবগাতী বাস স্ট্যান্ডের পাশেই ঢাকা-খুলনা মহা-সড়কের কোটি টাকার ব্রিজ দখল করে ইউপি চেয়ারম্যানের অফিস নির্মাণে খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় হলেও স্থানীয় জনগন বলেছেন ভিন্ন কথা।চেয়ারম্যান বলেছেন এটি একটি পরিত্যক্ত ব্রিজ। সরকার চাইলেই তিনি ছেড়ে দেবেন।

তবে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেছেন, ইউপি চেয়ারম্যানের সান্ধ্যকালীন অফিসসহ ওই স্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ অফিসের জায়গায় যারা অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছেন তাদেরকে আগামী এক মাসের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।ৱ

জানাগেছে, ১৯৯৫ সালে প্রথমে দখলকৃত ওই ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন এটি মহাসড়ক ছিলনা। কিন্তু পরবর্তীতে রাস্তাটি যখন চওড়া ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে রুপান্তরিত করা হয় এবং সড়কের বাঁক সোজা করতে গিয়ে রাস্তাটির ৫০/৬০ ফুট দূর দিয়ে একই খালের উপর আরেকটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ফলে পূর্বের করা ব্রীজসহ ওই এলাকার বেশ কিছু জায়গা পরিত্যাক্ত হয়ে যায়। সেখানে এলাকার লোকজন দোকানপাট উঠিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করেন। সড়ক বিভাগের এ জায়গা দখল হয়ে যায় এবং ব্রিজের উপর দখল করে মহেশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কারাম আজাদ তার ইউনিয়ন পরিষদের স্বান্ধ্যকালীন অফিস নির্মাণ করেন।

কাশিয়ানীর মহেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান ব্রিজের উপর তার সান্ধ্যকালীন অফিস বানানোর কথা স্বীকার করে জানান, এটি একটি পরিত্যক্ত ব্রিজ। তিনি জনগনের সুবিধার জন্য বাজার এলাকায় সন্ধ্যায় এখানে বসেন। তবে তার বসার জায়গাটি সরকার যখন চাইবেন তখন তিনি তা ছেড়ে দেবেন বলেও জানান।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরীফুল আলম জানান, চেয়ারম্যানসহ ওই এলাকার অবৈধ দখলদারদেরকে নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে তাদেরকে তাদের দখল ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।নির্দেশ না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

#মোজাম্মেল হোসেন মুন্না, ০৫.০৫.২০১৯

 









Leave a reply