স্কুলছাত্রের সচেতনতায় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন পাঁচ শতাধিক ট্রেনযাত্রী

|

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
আবুল হোসেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। সে শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলার খোকন মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার (৭ মে) রাতে আবুল হোসেনের সচেতনতার কারণে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে পাঁচ শতাধিক যাত্রীবাহী একটি ট্রেন।

স্থানীয় এবং রেলওয়েসূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে আবুল হোসেন একটি কাজে বের হয়েছিলো। সেখান থেকে ফেরার সময় টর্চ লাইটের আলোতে দেখতে পায় রেলপথের একটি পাত দ্বিখন্ডিত হয়ে পড়ে আছে। এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার কথা ভেবে সে গ্রামবাসীকে বিষয়টি অবহিত করে। গ্রামবাসী শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন ও শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শণন করে ভাঙা রেলপাত সরিয়ে সেখানে নতুন এক টুকরো রেলপাত বসিয়ে দেন। এসময় সিলেট থেকে চট্রগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেসকে কুলাউড়া স্টেশনে কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়। আন্তনগর এই ট্রেনে পাঁচ শতাধিক যাত্রী ছিলেন।

শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন, আবুল হোসেনের সচেতনতায় সম্ভাব্য একটি দুর্ঘটনা থেকে বাঁচা গেল। তিনি খবর পেয়ে রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের শ্রীমঙ্গলস্থ উর্দ্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেনকে অবহিত করলে তিনি ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন পাত প্রতিস্থাপন করেন।

শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের উর্দ্ধতন উ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন এ রেলপথ ঝুঁকিমুক্ত আছে। তিনি আরও বলেন, সময়মত স্কুল ছাত্রটি খবরটি না জানালে একটি দুর্ঘটনা আশঙ্কা ছিলো।









Leave a reply