বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কেরা

|

বিশ্বকাপের এটি দ্বাদশ আসর। এর আগের ১১টি আসরে পাঁচ দেশের নয়জন অধিনায়ক চুমু খেয়েছেন বিশ্বকাপ ট্রফিতে। কারা সেই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক?

এ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছে পাঁচটি দেশ। সর্বোচ্চ পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। দু’বার করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত। আর একবার করে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।

ক্রিকেটের অভিজাত দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড কখনও বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। বিশ্বকাপ জেতেনি নিউজিল্যান্ডও। অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি দু’বার করে বিশ্বকাপ জিতেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্লাইভ লয়েড ও অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং।

বিশ্বকাপজয়ী ৯ অধিনায়ক

ক্লাইভ লয়েড: বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিন আসরে- ১৯৭৫, ১৯৭৯ ও ১৯৮৩ সালে। এর মধ্যে প্রথম দুই আসরে শিরোপা জেতেন তিনি। কিংবদন্তি ক্যারিবীয় অধিনায়ক লয়েড ওয়ানডে খেলেছেন ৮৭টি। তাতে ৩৯.৫৪ গড়ে রান করেছেন ১৯৭৭। সেঞ্চুরি একটি। একমাত্র সেঞ্চুরি করেছেন তিনি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের ফাইনালে।

কপিল দেব: ভারতের অন্যতম সেরা পেস অলরাউন্ডার কপিল দেব। তার নেতৃত্বে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতে ভারত। ২২৫ ওয়ানডেতে ২৫৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে করেছেন ৩৭৮৩ রান।

অ্যালান বোর্ডার : অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ১৯৮৭-তে তার অধিনায়কত্বে প্রথম বিশ্বকাপ জেতে অসিরা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৭৩ ম্যাচে ৬৫২৪ রান করেছেন তিনি। সেঞ্চুরি তিনটি।

ইমরান খান: ১৯৯২ সালে রঙিন পোশাকের প্রথম বিশ্বকাপে বিশ্বকে চমকে দিয়ে পাকিস্তানকে শিরোপা এনে দেন ইমরান খান। সর্বকালের অন্যতম সেরা এই পেস অলরাউন্ডার পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন ১৭৫টি ওয়ানডে। তাতে ১৮২ উইকেটের পাশাপাশি করেছেন ৩৭০৯ রান। সেঞ্চুরি একটি।

অর্জুনা রানাতুঙ্গা: ১৯৯৬ সালে রানাতুঙ্গার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জেতে শ্রীলংকা। ২৬৯ ম্যাচে তার রান ৭৪৬৫। সেঞ্চুরি চারটি। বল হাতে নিয়েছেন ৭৯ উইকেট।

স্টিভ ওয়াহ: ১৯৯৯ বিশ্বকাপের আসর বসে ইংল্যান্ডে। সেই আসরে স্টিভ ওয়াহর নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া। তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়। ওই আসর থেকেই শুরু ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার সর্বজয়ী আগ্রাসনের সোনালি অধ্যায়। সেই থেকে সর্বশেষ পাঁচ বিশ্বকাপের মধ্যে চারটি জিতেছে অসিরা। স্টিভ ওয়াহ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৩২৫ ওডিআই। তিনটি সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৭৫৬৯ রান।

রিকি পন্টিং: অস্ট্রেলিয়ায় ওয়াহ-যুগের পর শুরু হয় পন্টিং-যুগ। তার অধীনে প্রবল প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়ার সামনে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি কোনো দলই। টানা দু’বার (২০০৩ ও ২০০৭) অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ জেতান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩৭৫ ম্যাচে করেছেন ৩০টি সেঞ্চুরি। মোট রান ১৩৭০৪।

মহেন্দ্র সিং ধোনি: ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়ক ধোনি। ক্ষুরধার ক্রিকেটীয় মস্তিষ্কের জন্য ‘ক্যাপ্টেন কুল’ নামে খ্যাত। তার অধীনেই ২০১১ সালে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতে ভারত। টেস্ট থেকে অবসর নিলেও এখনও ভারতের ওয়ানডে দলের অন্যতম ভরসা ৩৭ বছর বয়সী ধোনি। ভারতের হয়ে এ পর্যন্ত ৩১৪ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। ১০টি সেঞ্চুরিসহ তার ঝুলিতে রয়েছে ১০৫০০ রান।

মাইকেল ক্লার্ক: ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া পঞ্চম শিরোপা ঘরে তুলেছে মাইকেল ক্লার্কের ক্যাপ্টেন্সিতে। দেশের হয়ে ২৪৫ ওডিআইতে আটটি সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৭৯৮১ রান।









Leave a reply