জেনে নিন, বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু চমকপ্রদ তথ্য

|

আজ ওভালে শুরু হচ্ছে টাইগারদের বিশ্বকাপ মিশন। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ম্যাচে হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছেন প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে উজ্জীবীত টাইগার বাহিনী। আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবেন এমনটাই জানালেন টাইগারদের ক্যাপ্টেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

আসুন জেনে নি, বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু চমকপ্রদ পরিসংখ্যান।

দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭-৩ বাংলাদেশ
২০ ওয়ানডের ১৭ ম্যাচেই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর বাংলাদেশের জয় ৩টিতে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম জয়টা ২০০৭ বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে। আন্দ্রে নেলের ৫ উইকেটের পরও মোহাম্মদ আশরাফুলের ৮৭ রানের সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৫২ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ১৮৪ রানে গুটিয়ে যায় গ্রায়েম স্মিথের দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের পরের দুটো জয় ২০১৫ সালের দ্বিপক্ষীয় সিরিজে। ৩ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে হেরে পরের দুটিতে জিতেছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

ইংল্যান্ডের মাটিতে হেড-টু-হেড
ইংল্যান্ডর মাটিতে মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। সেটি ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। লো স্কোরিং ম্যাচটি শেষ হয়ে গিয়েছিল ৫০ ওভারেরও কম সময়ে।

হুমকির নাম রাবাদা
দক্ষিণ আফ্রিকার ডানহাতি পেসার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে (১৩টি)। চার বছর আগে মিরপুরে অভিষেক ম্যাচেই ১৬ রানে হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নেন রাবাদা। ওয়ানডের অভিষেকে সেরা বোলিং ফিগার এটি।

বাংলাদেশের ওয়ান ম্যান আর্মি
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, রান ও উইকেট নেয়ার রেকর্ডটা সাকিব আল হাসানের দখলে। ১৩ ম্যাচে ১২ উইকেট এবং ১২ ইনিংসে ৩২২ রান করেছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।

সর্বোচ্চ দলীয়
সর্বোচ্চ দলীয় দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০১৭ সালে ঘরের মাঠে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৩৬৯ রানের পাহাড় গড়ে প্রোটিয়ারা। অথচ সেঞ্চুরি ইনিংস ছিল না একটিও। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দলীয় সর্বোচ্চও দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০৮ সালে বেনোনিতে ৩৫৮ ও ২০১৭ সালে পার্লে ৩৫৩ রান তুলেছিল তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ৩০০ ছাড়ানো ইনিংস নেই। ২০১৭ সালে কিম্বার্লিতে ২৭৮/৭ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয়। ওটা ১০ উইকেট হাতে রেখে টপকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

সর্বনিম্ন দলীয়
ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুবার ১০০’র নিচে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশে। দুবারই আইসিসি টুর্নামেন্টে। ২০০৪ সালে বার্মিংহামে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯৩ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। আর ২০১১ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৮৪ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয় মাত্র ৭৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্কোরটি চার বছর আগে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে। মোস্তাফিজ-নাসিরের বোলিং তোপে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৬২ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সৌম্য সরকারের অপরাজিত ৮৮ রানে ৭ উইকেটে জিতে বাংলাদেশ।

সবচেয়ে বড় জয়/হার
২০১১ বিশ্বকাপে ২০৬ রানে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওইটা বাংলাদেশের বিপক্ষে রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয় তাদের। আর বাংলাদেশকে ৩ বার ১০ উইকেটে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। রানের ব্যবধানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জয় জয়টি ২০০৭ বিশ্বকাপের সুপর এইটে, ৬৭ রানে। আর ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে ৯ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। উইকেটের ব্যবধানে যা প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টাইগারদের সবচেয়ে বড় জয়। রানের ব্যবধানে সবচয়ে ছোট জয় দক্ষিণ আফ্রিকার ২০০৮ সালে পচেফস্ট্রমে, ৬১ রানে। উইকেটের ব্যবধানে ছোট জয় ৭ উইকেটে ২০০২ সালে কিম্বার্লিতে।

সর্বাধিক রান/ উইকেট
দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথের। ১২ ইনিংসে ৫৭২। বাংলাদেশের পক্ষে সাকিব ৩২২। সর্বাধিক উইকেট মাখায়া এনটিনির। ৮ ম্যাচে ১৮। বাংলাশের পক্ষে রুবেল ও সাকিব। উভয়েই ১২ উইকেট।

সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত/সর্বাধিক সেঞ্চুরি
২০১৭ সালে পার্লে এবি ডি ভিলয়ার্সের ১৭৮ রান বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত মুশফিকুর রহিমের। একই বছর কিম্বার্লিতে ১১০ রানের অপরাজিত ছিলেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। আর সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি হাশিম আমলার- ২টি।









Leave a reply