সেমিফাইনালের সুযোগ এখনও আছে: তামিম

|

‘আমার মনে হয়, এখনও আমাদের সুযোগ আছে।’ মন্তব্য তামিম ইকবালের। বৃহস্পতিবার ট্রেন্ট ব্রিজে দুরন্ত লড়াই শেষে ৪৮ রানে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারার পর তামিমের কণ্ঠে উচ্চারিত হল হাল না ছেড়ে দেয়ার প্রত্যয়। এই বাঁ-হাতি ড্যাশিং ওপেনার সেমিফাইনাল স্বপ্ন নিভিয়ে দিতে রাজি নন। বাংলাদেশকে এখন তাদের বাকি তিনটি ম্যাচ (আফগানিস্তান, ভারত ও পাকিস্তান) জিতলেই হবে না শুধু, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকেও।

বাংলাদেশ যদি একান্তই সেমিফাইনালে যেতে না পারে, তাহলে কী পঞ্চম স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করাই তাদের লক্ষ্য হবে? তামিমের উত্তর, ‘আমার মনে হয় না যে, আমাদের দলের কেউ এভাবে চিন্তা করছে। বাকি তিনটি ম্যাচ যদি জিততে পারি, আমাদের সুযোগ থাকবে। আল্লাহ না করুক, সেটা যদি একান্তই সম্ভব না হয় তাহলেই শুধু পঞ্চম স্থান নিয়ে চিন্তা করব।’

বাকি তিন ম্যাচে সবকিছু ঠিকঠাকভাবে করাই হবে আসল কাজ, এই ভাবনা থেকে তামিমের উচ্চারণ, ‘ট্রেন্ট ব্রিজে যেসব ভুল করেছি তা যথাসম্ভব কমিয়ে আনাই লক্ষ্য আমাদের।’ ওডিআইতে নিজেদের সর্বোচ্চ ৩৩৩ করা ম্যাচে তামিমের অবদান ৬২, যা এই আসরে তার প্রথম ফিফটি। তিনি মনে করেন, ‘ব্যাটসম্যানরা তাদের কাজ ঠিকঠাক মতোই করেছে। যার জন্য এ বিশ্বকাপে তৃতীয়বার বাংলাদেশ ৩০০ পার করেছে। আমি অথবা সাকিব যদি অন্তত ৩০তম ওভার পর্যন্ত থাকতে পারতাম, তাহলে ৩৮২ রানের লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হতো। শেষ ২০ ওভারে তখন টি ২০ মেজাজে রান তাড়া করা যেত।’

তামিম বলেন, ‘ইতিবাচক ব্যাপার হল এই যে, আমরা শেষ দুটি ম্যাচে ৩২০-এর বেশি রান করেছি। দু’বারই তাড়া করার সময়। আমাদের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মেছে যে, আমরা ৩২০-৩৩০ তাড়া করার সামর্থ্য রাখি। আমরা ম্যাচটা হেরেছি তিন-চার ওভারের স্পেলে। শেষ তিন ওভারে ভালো বোলিং করেছি আমরা। ভুল যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে।’

তামিম স্বীকার করেন, ‘বড় রান তাড়ায় আমি তেমন অভিজ্ঞ নই। তাই এদিন আমি স্কোর বোর্ডের দিকে তাকাইনি। ৩০ ওভারে দলকে ১৮০-২০০ রানে পৌঁছে দেয়ার জন্য চেষ্টা করেছি। তাহলেই শেষ ২০ ওভারে বাকি রান তাড়া করার সুযোগ থাকত। আমার মনে হয়, আমি ও সাকিব ভুল সময়ে আউট হয়েছি।’ ৬২ রান করে ২৫তম ওভারে মিচেল স্টার্কের শিকারে পরিণত হন তামিম। ‘হয়তো সবকিছু পরিকল্পনামাফিক হচ্ছে না। গেল দুই ম্যাচে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। ভাগ্য শুধু আমার পাশে নেই। দিনটা আমার ছিল না’, বলেন তামিম। তিনি যোগ করেন, ‘বলটা ঠিকমতো ব্যাটে লাগাতে পারছি। বড় রান করা এখন সময়ের ব্যাপার। সমস্যা হল, আমাদের হাতে বেশি সময় নেই।’









Leave a reply