এস-৪০০ ঘিরে ফের মার্কিন-তুরস্ক উত্তেজনা

|

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ ক্রয়ের জেরে মার্কিন-তুর্কি উত্তেজনা তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি অগ্রাহ্য করেই শুক্রবার আঙ্কারায় পৌঁছেছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রথম চালান। এরপর আজ শনিবার পৌঁছায় দ্বিতীয় চালানও।

এ পরিস্থিতিতে আবারও তুরস্কে সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ সরবরাহ বন্ধের হুশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও স্বাধীন প্রতিরক্ষা নীতিতে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছে আঙ্কারা।

শনিবার আঙ্কারা থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত মার্তাদ সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছায় ‘এস-৪০০’র দ্বিতীয় চালান।

এস-৪০০ একটি রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার আওতা ভূমি থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। এটি একনাগাড়ে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। স্বল্প উচ্চতার ড্রোন থেকে শুরু করে যে কোনো উচ্চতায় যুদ্ধবিমান এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত হানতে সক্ষম এই সমরাস্ত্র।

এই প্রযুক্তির প্রতি ইউনিটে থাকে ৯টি করে লঞ্চার, ১২০টি করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং কমান্ড ও সাপোর্টের জন্য সরঞ্জাম ও বাহন।

নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেই ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি করে তুরস্ক। এ জন্য মস্কোকে বড় অংকের অর্থও পরিশোধ করেছে তারা।

তবে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিজেদের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের জন্য বড় হুমকি। তাই উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের (ন্যাটো) অন্যতম সদস্য তুরস্ককে রুশ এস-৪০০ কিনতে বরাবরই নিষেধ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ নিষেধাজ্ঞায় কোনো ভ্রুক্ষেপ না করায় হুঁশিয়ারিও দিয়ে আসছিল মার্কিন কর্তৃপক্ষ।









Leave a reply