বাংলার ঝাণ্ডা হাতে জাতিসংঘ মিশনে তামান্না-নাইমা

|

বাংলার আকাশ শত্রুমুক্ত রাখার যে প্রত্যয়ে শুরু করেছিলেন তা যেন আরও বেড়ে গেল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না আর নাইমার। দেশের সামরিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পাইলট হিসেবে এই দুই নারী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিতে যাচ্ছেন।

লাল-সবুজ বাংলাদেশের নীল আকাশে উড়ে বেড়ানোর স্বপ্নটা তাদের অনেক আগেই পূরণ হয়েছে । এবার সীমানা পেরিয়ে সেই স্বপ্নের পাখা উড়বে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না ই লুৎফি বলেন, গত ১৪ বছর ধরে আমাদের বিমান বাহিনী সম্মানের সাথে জাতিসংঘকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এ সুযোগ পেয়েছি।

আর লেফটেন্যান্ট নাইমা হক বলেন, এতদিন আমরা দেশের মাটিতে বিমান চালিয়েছি। এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিমান চালানো নিশ্চয় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তদের শুরুটা যে সহজ ছিল না তা আর না বললেও চলে। তবে,  আত্মপ্রত্যয়ী এই দুই নারী থমকে থাকেননি। এগিয়েছেন স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে। সব সামলে এবার লক্ষ্য- শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলার সুনাম আরো বিকশিত করা। সেজন্য নিজেদের সেরাটা ঢেলে দিতে চান তারা।

বাংলাদেশ বিমানে যখন যোগ দিয়েছিলেন তখনি সব ধরনের চ্যালেঞ্জ নেয়ার জন্য নিজেদের মানসিকভাবে  প্রস্তুতি নিয়েছিলেন উল্লেখ করে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না ই লুৎফি বলেন,  এরই অংশ হিসেবে জাতিসংঘকে সার্ভ করা।

অন্যদিকে, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক বললেন, আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেন আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারি।

বিদেশের মাটিতে দেশের পতাকা মেলে ধরার দায়িত্ব পালনে এ দুই নারী আইকন যে বদ্ধ পরিকর তাতে কোনো সংশয় নেই

যমুনা অনলাইন: টিএফ


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply