কুমিল্লাকে হারিয়ে ফাইনালে রংপুর

|

লিগ পর্বের শীর্ষদল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৩৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠলো রংপুর রাইডার্স। আগের দিনের ১ উইকেটে ৫৫ রান নিয়ে শুরু করা রংপুর তাদের ইনিংস শেষ করে ৩ উইকেটে ১৯২ রান তুলে। জনসন চার্লস ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন, আর ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
জবাবে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ১৫৬ রানে অলআউট হয়।চরম নাটকীয়তা রিজার্ভ ডে’তে আসা ম্যাচে,  যেখানে বৃষ্টি নয়, নায়ক হয়ে থাকলেন জনসন চার্লস। আর পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। দু’জনের ব্যাটে আগের দিনের ১ উইকেটে ৫৫ রান যেনো হেলিকপ্টারে চড়লো চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে এই জুটিতে দেড়শো এলো মাত্র ৮৫ বলে। যেখানে  চার্লস ৬২ বলে তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম আর বিপিএলের ১১ তম সেঞ্চুরি। পুরো আসরে জ্বলে উঠতে না পারা ম্যাককালাম খেললেন ৪৬ বলে ৭৮ রানের এক টর্নোডো ইনিংস। ৭ ছক্কা হাকানো জনসন চার্লস অপরাজিত থাকলেন ১০৫ রানে। আর রংপুরের ইনিংস গিয়ে চড়লো ১৯২’তে।

বড় স্কোর তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা তাকিয়ে ছিলো তামিমের ব্যাটে। লিটনকে নিয়ে আক্রমনাত্নক শুরুর ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন এই ওপেনার। লেগ বিফোর থেকে বেঁচে গিয়েও অবশ্য, ইনিংসটা বড় করতে পারেননি তামিম। মাশরাফি বিপিএলের ৫০ তম শিকার বানান তাকে ৩৬ রানে থামিয়ে দিয়ে।

কঠিন ম্যাচটা জিততে তখন প্রয়োজন ছিলো টর্নোডো কোনো ইনিংস। কুমিল্লার সেই চাহিদার সাথে তাল মেলাতে পারেননি লিটন-স্যামুয়েলস-বাটলাররা।

৩০ এর কাছাকাছি ইনিংসগুলো ব্যবধান কমিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তীরে ভেড়াতে পারেনি কুমিল্লার স্বপ্নের তরী। যেখানে সবচে বড় হন্তারক রুবেল হোসেন, যার শিকার তিনটি।

৩৬ রানে হেরে দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন তাই আপাতত থমকে দাঁড়াল- ভিক্টোরিয়ান্সের।

তবে, স্বপ্নের পাল আরও চওড়া মাশরাফির রংপুরের জন্য। এই দলটির হয়ে প্রথম, আর সবমিলে বিপিএলের চতুর্থ শিরোপা নিজের হাতে তুলে নেয়ার এক ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে লড়াকু মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

যমুনা অনলাইন- এফআর।









Leave a reply