জমি নিয়ে বিরোধ: হামলা, সংঘর্ষে নারী শিশুসহ আহত ১০

|

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর গলাচিপার মুদিরহাট এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছে।

আহতরা হলেন একপক্ষের মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৫), দেলোয়ার হোসেন(২৩), মমতাজ বেগম(৩৫), ফুলভানু বেগম(৪৫) ও কামরুল (১৬) এবং অপরপক্ষের ফিরোজ, কবির ও বেল্লার। এদের মধ্যে আলমগীর ও দেলোয়ারকে পটুয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিমিষ্ট হাসপাতালে এবং ফিরোজ, কবির ও বেল্লালকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের মুদিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে উভয়পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত আলমগীর হোসেন অভিযোগ করেন, তাদের দখলে থাকা বাড়ির পাশের একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনৈক সাগর মাঝির সাথে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলাও হয়েছে। সবশেষ আদালত ওই জমির উপর স্থিতিশীল জারি করেন। আদালতের ওই রায়ের পর শনিবার শেষ বিকালে আলমগীরের ভাইর ছেলে দেলোয়ার ধান রোপন করতে গেলে সাগর মাঝি তাতে বাধা প্রদান করেন। এ সময় দুইপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয় ১০ জন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন জানান, বিষয়টি আমার জানান আছে। আমি কয়েকবার এ নিয়ে শালিসী করার চেষ্টা করেও স্থানীয় কতিপয় ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীর কারণে তা করতে পারিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি মোতালেব মিয়া জানান, বিষয়টি ফয়সালার জন্য আমি ও যুবলীগ নেতা ফিরোজ মাঝি সেখানে উপস্থিত হলে উল্টো আলমগীরের লোকজন রামদা দা নিয়ে আমাদের ধাওয়া করেছে। পরে শুনিছি এ ঘটনায় উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি শ্রমিকলীগ নেতা আমি কাউকে মারধর করতে পারিনা।

অপরদিকে যুবলীগ নেতা ফিরোজ জানান, বিরোধীয় জমিতে ধান রোপন করার সময় আমি তাদেরকে বাধা দেই এবং নিষেধ করি। এ সময় আলমগীরের লোকজন আমার উপর হামলা চালায়। এতে আমিসহ তিনজন আহত হই।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকতার মোর্শেদ জানান, উভয়পক্ষ আহত হবার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পাঠিয়েছি। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করে উভয়পক্ষকে থানায় আসতে বলিছি।









Leave a reply