ফেরা হলো না সমুদ্রে

|

শুক্রবার কক্সবাজার কলাতলী সাগর তীরে মরে পড়ে থাকতে দেখা যায় এই বিশাল দেহী কচ্ছপ। তীরের শীতল বালিতে ডিম দিতে এসে নিজেই পড়ে গেলো মৃত্যুফাঁদে।

স্থানীয়দের মতে, প্রায়শই এ ধরনের কচ্ছপ দেখা যায় সমুদ্র তীরে কিন্তু এতো বড় আকৃতির কচ্ছপ হরহামেশা দেখা যায় না। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৬০ কেজি ওজনের এই কচ্ছপ বৃহস্পতিবার রাতে জোয়ারের টানে ভেসে আসে ডিম দেয়ার জন্য। তীরে পড়ে থাকা প্লাষ্টিক খেয়ে হজম করতে না পেরে অথবা সাগর থেকে আসার সময় পাথরে আঘাত পেয়ে মারা যেতে পারে।

এছাড়া, পরিবেশ দুষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে আরো মরে থাকতে দেখা যায় বিশাল আকৃতির ১৫ থেকে ২০ কেজি ওজনে জেলি ফিসসহ সামদ্রিক দুর্লভ প্রাণী।

সম্প্রতি জাতিসংঘ এ বিষয়ে এক ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়— প্রতি বছর প্রায় ৮০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী সমুদ্রযানের নানা বর্জ্য পদার্থ দিয়ে আক্রান্ত হয়। আর এসব বর্জ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই প্লাস্টিক, যা নিতান্তই আমাদের দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রায় অর্ধেক সামুদ্রিক কচ্ছপ প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ গলাধঃকরণ করছে এবং এর ফলে অনেক কচ্ছপই মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছে। শুধ তা-ই নয়, প্লাস্টিক দ্রব্যাদি জলজ জীবকূলের প্রজননে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।









Leave a reply