রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদেই খুন করা হয় সোহাগকে

|

অতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর উত্তরখানে হত্যা করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থী সোহাগকে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, সোহাগকে হত্যায় জড়িত ছিল ৬ জন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩৬ মিনিটের সময়ে স্টাইল ফ্যাশনস নামক একটি তৈরি পোশাক কারখানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল এই অটোরিকশা। এ সময় কাদা ছিটে কয়েকজন তরুণের গায়ে লাগে।

সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, কাদা ছিটায় ওই অটোচালককে মারধর করেন হৃদয় সাদসহ ৬ তরুণ। মারধরের প্রতিবাদ করাতে সোহাগকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। পরে সোহাগকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সবার বয়স ২০-২২ বছরের মধ্যে হবে। এদের মধ্যে হৃদয় উত্তরাতে কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য। বাকিরা এলাকার নয় বলে জানায় পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ধরতে তৎপরতার কথা জানান উত্তরখান থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন।

তিনি জানান, কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা তা খতিয়ে দেখছি। আমরা কয়েকজনকে শনাক্ত করে নজরদারিতে রেখেছি। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মেহেদি হাসান কর্তৃক একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

এমন তুচ্ছ ঘটনায় সোহাগকে যারা মেরে ফেললো তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।









Leave a reply