বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে অক্সিজেন সংকটের অভিযোগ

|

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সময়মতো পাওয়া যায় না।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ লাইন পর্যাপ্ত নয়। শেষ ভরসা অক্সিজেন সিলিন্ডারও পাওয়া যায় না সময়মতো। এখনো চালু হয়নি নতুন স্থাপিত অক্সিজেন ট্যাংক। করোনায় গুরুতর রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে হাইফ্লো অক্সিজেন প্রয়োজন হলেও আইসিইউ বেড একবারেই সীমিত। যদিও পরিচালক বলছেন, অক্সিজেনের সংকট নেই।

হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীর জন্য আগাম নাম লিখিয়ে, লাইন দাড়িয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিতে হয়। অনেকের ভাগ্যে সময় মত সিলিন্ডার জোটেও না।

তিনশ শয্যার করোনা ইউনিটে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি থাকছে সবসময়ই বেশি। যেখানে আইসিইউ শয্যা মাত্র ২২টি। সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন আছে ১০৭টি বেডে। বাকিদের নির্ভর করতে হয় সিলিন্ডারের ওপর। তাও পাওয়া যায় না সময়মত।

যদিও হাসপাতাল পরিচালক বলছেন, অক্সিজেন সংকট নেই করোনা ইউনিটে। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেকেই মনে করে আমার যদি হঠাৎ করে অক্সিজেন শেষ হয়ে যায় তাহলে আমি কোথায় যাবো। এমন আতঙ্কের কারণে মনে হয় যে সংকট আছে। কিন্তু, আমরা সবাইকে এই নিশ্চয়তা দিয়েছি যে যার যখন প্রয়োজন হবে তখন তিনি অক্সিজেন পাবেন।

হাসপাতালের পরিচালক আরও জানান, আরও ৫০ টি বেডে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন দেয়ার জন্য গণপূর্ত বিভাগকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, তরল অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এক্সপেকট্রার সাথে চুক্তি করতে হাসপাতাল পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু অন্য কোম্পানির তুলনায় অক্সিজেনের দাম বেশি চাইছে এই প্রতিষ্ঠানটি। চড়া দামে এক্সপেকট্রাকে কাজ দিতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হস্তক্ষেপ ভালোভাবে দেখছে না নাগরিক সমাজ।

বরিশাল নাগরিক সমাজের যুগ্ম সম্পাদক এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, এখানে যদি অক্সিজেন সরবরাহের কথা হয় তখন টেন্ডার স্থানীয়ভাবেই হওয়া উচিত। এখানে বাইরে থেকে হস্তক্ষেপ আসলে তাতে দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যায়।

১০ হাজার লিটারের অক্সিজেন ট্যাঙ্ক প্রতিবার রিফিলের জন্য ২৫ হাজার ও পরিবহন বাবদ ১৪ হাজার টাকা দর দিয়েছে এক্সপেকট্রা। বিপরীতে রিফিলে ১৪ হাজার ও পরিবহন বাবদ ২ হাজার টাকা দর দিয়েছে আরেকটি কোম্পানি।

/এস এন


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply