রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখে আবেগাপ্লুত নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিনিধিরা

|

বাংলাদেশ-মিয়ানমার গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হবে। একথা বলেছেন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল। সকালে তুমব্রু সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ও কুতুপালং ক্যাম্প পরিদর্শন করে ব্রিফিং এ তারা একথা বলেন।

সফরের দ্বিতীয় দিন সকালে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল যান তমব্রু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে। তারা কথা বলেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সাথে। এসময় রাখাইনে বর্বর নির্যাতনের কথা তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা। প্রায় ৪০ মিনিট তাদের মধ্যে কাটান প্রতিনিধিরা।

নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান ২৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলে আছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের স্থায়ী প্রতিনিধি। এছাড়া রয়েছেন ১০ জন স্থায়ী ও পাঁচজন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি। তাদের সাথে ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি। এরপর তারা আসেন কুতুপালং ক্যাম্পে।

তারা কুতুপালং শিবির ঘুরে দেখেন। কথা বলেন রোহিঙ্গাদের সাথে। পরে, ক্যাম্পে বিফ্রিং করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করলেও জানান সংকট সমাধানে চটজলদি কোনো উপায় নেই।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সব ইস্যুতেই দ্বিধাভক্ত থাকে। এই সফরের পরও এমন অবস্থা তৈরি হলে, ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার নেবে কে? ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত অবশ্য জানান, রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানের কোন ব্যর্থতার দায়ভার নিরাপত্তা পরিষদ নেবে না।

পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দলের এই সফরের পরও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে একমত হতে সময় লাগবে। তবে সমাধান প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। কাল সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে প্রতিনিধি দলটির। এরপর তারা মিয়ানমারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।









Leave a reply