বেনাপোল স্থলবন্দরের ট্রাক টার্মিনালে আগুন

|

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানীকৃত পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে রোববার ভোরে অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১০টি পণ্য বোঝাই ট্রাক পুড়ে গেছে। এ সময় কেউ হতাহত হয়নি। তবে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের প্রথমে ২টি এবং পরে আরো ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই ঘণ্টা কাজ করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

প্রাথমিক অবস্থায় কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসিডের ড্রাম থেকে এ অাগুনের সূত্রপাত হয়।

বন্দরে দায়িত্বরত আনছার সদস্য জানান, ভোর ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে টার্মিনালে ঢুকতেই কয়েকটি ভারতীয় পণ্য বোঝাই ট্রাকে আগুন জ্বলতে দেখে বন্দরে আনছার ক্যাম্পের ইউনিট প্রধানকে জানালে তিনি ফায়ার সার্ভিস ইউনিটকে খবর দিলে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের বেনাপোল ও ঝিকরগাছার ২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিভাতে চেষ্টা করে। পণ্য বোঝাই ট্রাকে সুতা, তুলা এবং মোটর সাইকেলসহ আমদানীকৃত পার্টস এর চালান ছিলো।

বন্দরে আগুন লাগার ঘটনা জানতে পেরে ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, বন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল ও যশোর জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন অভিযোগ করে বলেন,ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল টাকে গোডাউন হিসাবে ব্যবহার ও ট্রাকের নিচে রান্না করার কারনে আগুন লাগতে পারে। তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে আরো কয়েকবার এ বন্দরে আগুন লাগলেও বন্দরে কোন ইন্সুরেন্স না থাকার কারণে আমদানী কারকরা এ বন্দর দিযে আমদানী কম করছেন।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক আমিনুর রহমান জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখন নিরূপন করা সম্ভব নয়। আর কি কারণেই এ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তাও এখন বলা সম্ভব হচ্ছে না।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী,ও আশপাশের মানুষের সহযোগিতার কারনে আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।

যশোর জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল বলেন, আগুন লাগার ঘটনা জানান সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট কাজ করার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কিভাবে আগুন লেগেছে তা তদন্ত না করে বলা যাচ্ছেনা। তবে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় যাতে না ঘটে তার ব্যবস্থা করা হবে।









Leave a reply