গোপালগঞ্জে নার্সকে ধর্ষণ করলো প্রাক্তন স্বামী

|

স্টাফ রিপোর্টার,গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জে চক্ষু হাসপাতালের এক নার্সকে তার প্রাক্তন স্বামী ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর রাতে সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় অবস্থিত নার্সের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করেছে।

এ বিষয়ে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।

জানাগেছে, গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালের নার্স এবং পিরোজপুরের স্বরুপকাঠির এই নার্সের সাথে ঝালকাঠির সুব্রত দেবনাথের (৩৫)বিগত ২০১১ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছরের মাথায় নানা কারণে তাদের বিয়ে টেকেনি।

কিন্তু এরপর থেকে নানা ভাবে সুব্রত ওই নার্সকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এর আগেও একাধিকবার মেয়েটিকে গোপালগঞ্জে এসে সুব্রত উত্ত্যক্ত করলে থানায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়।

কিন্তু, গতকাল বুধবার রাতে সুব্রত তার এক বন্ধু ও বন্ধুর স্ত্রীকে নিয়ে নার্সের বাসায় আসে। বিষয়টি মিমাংসা করে দেবার কথা বলে বন্ধু ও বন্ধুর স্ত্রী বাইরে থেকে সুব্রত ও তার সাবেক স্ত্রীকে ঘরে তালা দিয়ে আটকে রাখে।

আর এই সুযোগে সুব্রত তার হাত-পা বেঁধে জোর করে তার সাবেক স্ত্রী ওই নার্সকে ধর্ষণ করে। এসময় তাকে মারধর করা হয়। এলাকার লোকজন ওই নার্সের চিৎকার শুনে সুব্রতকে ধরে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে সুব্রতকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গোপালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।

এদিকে মুখে দাড়ি ও পাঞ্জাবি পরিহিত থাকার কারণে সুব্রত হিন্দু ধর্মের অনুসারী কিনা তা নিয়ে পুলিশের সন্দেহ হয়। পড়ে জিজ্ঞাসাবাদে সুব্রত জানায়, তিনি ফরিদপুরের আটরশি হুজুরের মুরিদ। তাই এরকম তার বেষভুশা।









Leave a reply