সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ নিহত ৭

|

রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে একটি নির্বাচনী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ ১১ জনকে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে আরও ১৫ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে এ সহিংসতা ঘটে।

সোমবার সন্ধ্যার দিকে ভোট গণনা শেষে উপজেলার সাজেক বাঘাইহাট থেকে কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে ফেরার সময় নয়মাইল নামক স্থানে গাড়িতে ব্রাশফায়ার করে সন্ত্রাসীরা। রাঙামাটির পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাঘাইছড়ির সাজেকের কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনা শেষে সেখানে দায়িত্ব পালনকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে গাড়ি যোগে বাঘাইছড়ি সদরে ফিরছিলেন। পথে বাঘাইছড়ির নয়মাইল নামক এলাকায় গাড়িটি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ব্রাশফায়ার করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা।

এতে গুলিতে ঘটনালেই ৬ জন নিহত হন। একজন নিহত হন হাসপাতালে নেয়ার পর। নিহতদের মধ্যে আনসার ও ভিডিপির সদস্য ও নির্বাচনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ছিল। নিহতরা হলেন, আনসার-ভিডিপি সদস্য আল-আমিন, বিলকিস, জাহানারা, মিহির কান্তি দত্ত, সহকারি পোলিং অফিসার ও শিক্ষক আমির হোসেন, ও মন্টু চাকমা।

গুলিতে আহত ২৫ জনের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে চট্টগ্রাম সামরিক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রিজািইডিং অফিসার আবদুল হান্নান আরবও রয়েছেন।

পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির ৭ জন নিহতের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ওই ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে সংখ্যা বাড়তে পারে।

ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের কারণে সরকারি ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের উপর এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, সারাদিন শান্তিপুর্ণ নির্বাচন হলেও বিকাল এধরনের ঘটনা অনাকাঙ্খিত। গুরুতর আহতদের সিএইচএমএ পাঠানো হয়েছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে যেন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে সে জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।









Leave a reply