ফেসবুকের বাইরেও ‘গোয়েন্দাগিরি’ শুরু করেছে ফেসবুক!

|

ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে নানা তথ্য জড়ো করে এবং সেগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। এই তথ্য সবারই জানা। নতুন খবর হচ্ছে, ফেসবুকের বাইরেও তাদের ট্রাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করা শুরু করেছে। অর্থাৎ ফেসবুক ব্যবহারকারীরা অন্যান্য ওয়েবসাইটে কী করছেন সেসব তথ্যও জড়ো করছে প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন না, বা ফেসবুকে কখনো একাউন্ট খুলেননি কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহার করেন- তাদের সম্পর্কে অনলাইনে গোয়েন্দাগিরি করার অভিযোগ উঠেছে মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যম সাইটটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো এমনটাই বলছে। বর্তমানে ফেসবুকে দৈনিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন। প্রতিষ্ঠানটি  সবার তথ্যই সংরক্ষণ করে যাচ্ছে প্রতিদিন। অর্থাৎ ব্যবহারকারী কোন ধরণের লেখায় বা তথ্যে লাইক দিলেন, কোন তথ্যে হলেন বিরক্ত বা কার প্রোফাইল কে দেখছে সবই থাকে ফেসবুকের নখদর্পণে। এমনকি বলা হয়ে থাকে ব্যক্তিগত বার্তা বা ম্যাসেঞ্জারের আলাপও নাকি ‘ব্যক্তিগত’ থাকে না। ব্যবহারকারীর আদর্শিক অবস্থান, রাজনৈতিক চিন্তা বা সামাজিক মনোভাব ইত্যাদিও নাকি ‘নিরাপত্তার’ খাতিরে খতিয়ে দেখে ফেসবুক!

তবে ফেসবুক গোপন তথ্যের যে ফাইলটি সংরক্ষণ করে তার একটি কপি ব্যবহারকারী চাইলেই দেখতে পারেন বলে তারা জানিয়েছে।

এখানেই শেষ নয়। যারা ফেসবুক ব্যবহারকারী নন, তাদের তথ্যও অজানা থাকে না! এক্ষেত্রে তৃতীয়পক্ষের সাহায্য নেয় ফেসবুক। ট্র্যাকিং ডিভাইস দিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য জেনে নেয়া হয়। তাছাড়া প্রায় ১০ হাজার ওয়েবসাইটে গোপনে ট্র্যাকিং করে তথ্য বের করা হয় (এটিকে বলা হয় পিক্সেল)।

আর আপনার তথ্য নিয়েই এবং সেগুলো অন্যকে দিয়েই এত টাকার মালিক মার্ক জুকারবার্গ। বিভিন্ন অনলাইন সাইটের কাছে এসব তথ্য বিক্রি করা হয় বিজ্ঞাপন বিপননের সুবিধার্থে। আপনার পছন্দ-অপছন্দ জানা থাকলে সে অনুযায়ীই আপনাকে  বিজ্ঞাপন দেখাবে তৃতীয় পক্ষের কোম্পানিগুলো।









Leave a reply